ছবি: সংগৃহিত
গত ১০ অক্টোবর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও, ইসরায়েল বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজার সাধারণ মানুষের ওপর বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা শনিবার (২২ নভেম্বর) জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় হাসপাতালে আরও সাতটি মরদেহ আনা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই সময়ে আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর আহতের সংখ্যা ৭৮৮ জনে পৌঁছেছে।
অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনও তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।
এর আগে, রাফাতেগত এলাকায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও, হামাসের প্রায় ২০০ যোদ্ধা সুড়ঙ্গের ভেতর অবস্থান করছেন। গতকাল ইসরায়েল তাদের মধ্যে পাঁচজনকে বিমান হামলায় হত্যা করেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নাহাল ব্রিগেড জানিয়েছে, নিহত যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে ইসরায়েলি সেনাদের দিকে এগোচ্ছিলেন। তারা দাবি করেছে, যোদ্ধাদের অবস্থান ইসরায়েলি সেনাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।
যুদ্ধবিরতির পরও রাফার প্রায় পুরো অঞ্চল ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামাসের যোদ্ধাদের নিরাপদভাবে উদ্ধার ও গাজার অভ্যন্তরে বা অন্য কোনো দেশে পাঠানোর বিষয়ে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই পাঁচজন নিহত হয়েছেন।