প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৩৬ (বুধবার)
সিলেটসহ ৮টি কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা

ছবি: সংগৃহিত

দেশব্যাপী আন্দোলন, অবরোধ ও রেলপথ বন্ধ থাকার ঘটনাসহ নানা চাপের মুখেও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পিছিয়ে দিচ্ছে না সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

কমিশন জানিয়েছে, পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৭ নভেম্বর থেকেই লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে।

রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে কিছু চাকরিপ্রার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলন, বিক্ষোভ, অনশন কর্মসূচি এবং রেলপথ অবরোধ করে আসছেন।

শনিবার ও রোববার রাজশাহী ও ময়মনসিংহে রেললাইন অবরোধের কারণে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। আন্দোলনকারীরা পরীক্ষা না পেছালে অনশন কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন।

তবে পিএসসি জানায়, ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কম সময় দেওয়া হয়েছে- এ ধরনের অভিযোগ সঠিক নয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে প্রার্থীরা আবেদন করেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ১০ হাজার ৬৪৪ জনকে লিখিতের জন্য নির্বাচিত করা হয়। আর ৩ জুনেই লিখিত পরীক্ষার তারিখ ২৭ নভেম্বর-এ বিষয়টি নোটিশে জানানো হয়েছিল।

পিএসসি আরও জানায়, বিসিএসের প্রস্তুতি দুই–চার মাসের বিষয় নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পাঠাভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। তাই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষায় বসার মানসিকতা একজন প্রকৃত সরকারি চাকরি–প্রার্থীর জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করে কমিশন।

কমিশন জানায়, বর্তমান পিএসসি দায়িত্ব নেওয়ার পর পরীক্ষার জট দূর করতে মে–জুনে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। ইতোমধ্যে দুটি বিশেষ বিসিএসসহ বিভিন্ন পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এখন কোনো পরীক্ষা পিছিয়ে দিলে পুরো পরিকল্পনাই ব্যাহত হবে-এ কারণেই পরীক্ষা পেছানোর দাবি গ্রহণযোগ্য হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের উদ্দেশে পিএসসি অনুরোধ করেছে, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর থেকেই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে।

এদিকে পিএসসি ইতোমধ্যেই লিখিত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে। অনুযায়ী, ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) এবং চলবে ১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত।

দেশের সিলেট, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ-এই আটটি কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে পদ–সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে পরীক্ষা কেবল ঢাকায় নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।