প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৫৩ (বৃহস্পতিবার)
বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশকে স্বাগত জানাল ঢাকা চেম্বার

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) বাণিজ্যিক আদালত স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

ডিসিসিআইয়ের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, `দেশের বিদ্যমান অর্থঋণ আদালত ও বিকল্প বিরোধ আইন-২০০১ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়নের দুর্বলতা এবং সীমিত পরিসরের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি কাঙ্ক্ষিত হারে গড়ে উঠেনি।' তাই কমার্শিয়াল কোর্ট অর্ডিনেন্স-২০২৫ অনুমোদনকে তিনি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে ঢাকায় সুপ্রিম কোর্ট কার্যালয়ে গত বুধবার সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এ এইচ চৌধুরী, সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তাসকীন আহমেদ বলেন, `প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাণিজ্যিক পটভূমিতে একটি উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিতকল্পে দক্ষ বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। দেশের অস্থির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যের উন্নয়নে বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির পদক্ষেপ প্রশংসনীয়।'

ডিসিসিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাসকীন আহমেদ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, দৈনন্দিন আদালত কার্যক্রমের ডিজিটালাইজেশন এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠনের জন্য প্রধান বিচারপতির প্রশংসা করেছেন, যা দেশের বেসরকারি খাতের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ জবাবে বলেন, `বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করতে এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য দেশের বেসরকারি খাতকে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা হবে।'

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ঢাকা চেম্বার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য উন্নয়নে আরও বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

সাক্ষাৎকারে প্রধান বিচারপতি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের স্বার্থ সুরক্ষায় ঢাকা চেম্বারের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বেসরকারি খাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলার যৌথ প্রচেষ্টায় জোর দেন।