প্রকাশিত : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫ (সোমবার)
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন ও মাঠের সাফল্যের মাঝে অপ্রত্যাশিত সমস্যার মুখে পড়েছে আলবিসেলেস্তেরা।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সদর দপ্তরে পুলিশ হানা দিয়েছে। অভিযানটি কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের একটি বড় তদন্তের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

রাজধানী বুয়েনস এইরেসে অবস্থিত এএফএর প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে দক্ষিণ এজেইজারের অনুশীলন কেন্দ্র পর্যন্ত কোথাও তল্লাশি বাদ দেওয়া হয়নি। এজেইজাতেই জাতীয় দলের সদস্যরা অনুশীলন করেন। পুলিশ মূলত ‘ট্যুরপ্রোডএন্টার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে এএফএ পর্যন্ত তদন্ত পৌঁছেছে।

‘ট্যুরপ্রোডএন্টার’ নিজেদের এএফএর ‘একচ্ছত্র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক এজেন্ট’ হিসেবে পরিচয় দেয়। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে গুরুতর কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের তালিকায় রয়েছে আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘সুর ফিনানজাস’, যা গত বছর আর্জেন্টিনার ঘরোয়া লিগ ও জাতীয় দলের স্পন্সর ছিল। অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫৫ কোটি ডলার কর ফাঁকি দিয়েছে।

এএফএ অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলে, তারা একটি প্রচারণার শিকার। জাতীয় দলের প্রীতি ম্যাচ আয়োজন নিয়ে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিরোধের জেরে এই কলঙ্কজনক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারেরও অবহিত আছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

অনেকে এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক দিকও দেখছেন। প্রেসিডেন্ট মিলেই চান আর্জেন্টিনার ফুটবল ক্লাবগুলো অলাভজনক সংস্থা থেকে পাবলিকলি ট্রেডেড স্পোর্টস কোম্পানিতে রূপান্তরিত হোক, যা বর্তমানে এএফএর আইন অনুসারে সম্ভব নয়।