ছবি: সংগৃহীত
চলতি কর বছরে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৩০ লাখের বেশি করদাতা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বছর ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার আইনগত প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের ছাড়া সকল ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম ৪ আগস্ট শুরু হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করেছেন এবং ৩০ লাখের বেশি করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন।
এনবিআর জানিয়েছে, গত আগস্টে ২ লাখ ৫১ হাজার, সেপ্টেম্বর ৩ লাখ ১ হাজার, অক্টোবর ৪ লাখ ৫৪ হাজার, নভেম্বর ১০ লাখ ৪০ হাজার এবং ডিসেম্বর মাসে প্রায় ১০ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। সরকার ইতোমধ্যে রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। এনবিআর আশাবাদী, বর্ধিত সময়ের মধ্যে ৪০ লাখের বেশি করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করবেন।
বিদেশে অবস্থানরত করদাতারা নির্দিষ্ট তথ্য ই-মেইলে প্রেরণ করে ই-রিটার্নে রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন। এছাড়া, করদাতার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ অন্যান্য পেশাজীবীরা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন।
করদাতারা ই-রিটার্নে তাদের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য এন্ট্রি করে ঘরে বসেই ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে আয়কর পরিশোধ ও রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন। ভুল থাকলে ১৮ দিনের মধ্যে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের সুযোগও রয়েছে।
ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় করদাতারা কল সেন্টার ০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১ বা www.etaxnbr.gov.bd- এর মাধ্যমে সহায়তা নিতে পারছেন। এনবিআর ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখের মধ্যে ২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিলের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।