প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ ১৩:৪৫ (সোমবার)
সিলেটে সাবেক মেম্বারকে কু/পি/য়ে খু*ন : দুই ভাই আ ট ক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সিলেটের ওসমানীনগরে ‘আতিক মিয়া’ হত্যা মামলার সহোদরকে মৌলভীবাজার থেকে আটক করেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে র‌্যাব-৯ সদর কোম্পানি ও সিপিসি-২ শ্রীমঙ্গলের যৌথ আভিযানিক দল শ্রীমঙ্গল থানার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের খোয়াজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, ওসমানীনগরে পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আতর মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়া (৩৩) ও মিজান মিয়া (২৮)। তাদেরকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিকটিম আতিক মিয়া সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার ও এলাকার একজন সালিশ ব্যক্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার ভাই সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসতভিটার জায়গা নিয়ে ১নং বিবাদী সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাবের সঙ্গে বিরোধ চলছিল এবং একাধিক মামলা ছিল।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিবাদীগণ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে জিনিসপত্র ভাঙচুর ও ক্ষতি সাধন করেন। পরে আতিক মিয়া বিষয়টি মীমাংসার জন্য সালিশি বৈঠক আয়োজন করেন এবং বিবাদীগণকে অপরাধজনক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেন।

সেই দিন বিকেলে আতিক মিয়া নিজের বাড়িতে ফেরার পথে, ২নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির পাশের রাস্তার উপর তাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চারদিক থেকে আক্রমণ করা হয়। হামলাকারীরা দা ও কাঠের বর্গা দিয়ে তার কপাল, মাথা ও বুকে মারাত্মক কোপ মারলে তিনি রক্তাক্ত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভিকটিমের ভাই পরে ওসমানীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব-৯ গোয়েন্দা তদন্ত ও অভিযান শুরু করে।

ঘটনার পর আতিক মিয়ার ভাই ওসমানীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পলাতক আসামিদের ধরতে র‌্যাব-৯ তদন্ত শুরু করে।

র‌্যাব জানিয়েছে, মামলার বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।