প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬ ১১:১৯ (সোমবার)
সিলেট বিভাগের আরও তিন প্রার্থী মনোনয়ন ফিরে পেলেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে সিলেট বিভাগের আরও তিনজন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে হবিগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী মো. শাহিনুর রহমান এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী হাজী মুখলেছুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপিল শুনানি শুরুর পর প্রথম দুই দিনে সারা দেশে মোট ১০৯ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। একই সময়ে একজন বৈধ প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনে দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, দ্বিতীয় দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলগুলোর মধ্যে ৫৮টি আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এ ছাড়া সাতটি আবেদন নামঞ্জুর করা হয় এবং ছয়টি আবেদন পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।

এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) প্রথম দিনের আপিল শুনানিতে সিলেট বিভাগের চার জেলার বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে একজন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পান। ওই দিন হবিগঞ্জ-৪ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী মোকাম্মেল হোসেনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। প্রথম দিনে সারা দেশের বিভিন্ন আসনের মোট ৭০টি আপিল আবেদনের শুনানি হয়, যেখানে ৫১ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পান এবং একজনের ক্ষেত্রে বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, মনোনয়নপত্র জমা ও বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থী বৈধ ছিলেন। আপিল শুনানির পর এখন পর্যন্ত বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫০ জনে।

এর আগে বাছাই শেষে সিলেট বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনে ১১০টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। ৩৬ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মনোনয়ন ফিরে পেলেন ৪ জন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।