প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬ ২১:১৫ (বৃহস্পতিবার)
কুলাউড়া লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

ছবি: মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।

বাঙালির ঐতিহ্য, গ্রামবাংলার পিঠা ও দেশীয় সংস্কৃতিকে জীবন্ত রাখতে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী পিঠা উৎসব ২০২৬। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও কলেজ প্রাঙ্গণ মুখরিত হয় পিঠার রঙ-বেরঙের আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে।

উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান। তিনি ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক নজমুল হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি নাজমা বানু, ইন্দ্রজিৎ রায়, জয়ন্ত দেবনাথ, মাজহারুল ইসলাম, শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক হেলাল খান, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান, আখতার হোসেন, তাহিয়া খন্দকার, ফয়সল আহমেদ, মিনহাজুল আবেদিন, জওহরলাল চক্রবর্তী, উর্মি চৌধুরী, অফিস স্টাফ সাদেক চৌধুরী, তোফায়েল বেগ, ছাত্র প্রতিনিধি কাইয়ুম উদ্দিন, সিপন মিয়া, লাবিব, জুহিন, শ্রাবণ দাস, সাব্বির হোসেন, মিডিয়ার প্রতিনিধি কাশেম এবং কলেজ স্কাউট দল।

উদ্বোধনের পর অধ্যক্ষ আতাউর রহমান আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকদের নিয়ে স্টল পরিদর্শন করেন। শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি শীতের বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে। একই সঙ্গে হাঁড়িভাঙ্গা, বল নিক্ষেপ ও মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উভয়ই অংশগ্রহণ ছিল।

পিঠা উৎসবের আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, উপস্থাপনায় ছিলেন সমরেশ দাস রায়।

আলোচনায় অংশ নেন সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান, আলী আমজাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ কবি শশাঙ্ক শেখর গোস্বামী, বিএনপি কুলাউড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক নির্মাল্য মিত্র সুমন, সহকারী অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ রায়, শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক হেলাল খান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দ আতিকুজ্জামান ও হাসিব খান।

স্থানীয় শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী।

সবশেষে সিলেট বেতারের শিল্পী নান্টু দাস ও নবনীতা মিত্র পিউ তাদের সুরের মাধুর্যে অনুষ্ঠানে প্রাণ সঞ্চার করেন।

উল্লেখ্য পিঠা নিয়ে হাজির প্রায় বিশটি স্টলের সব পিঠাই বিক্রি হয়ে যায় উৎসবের শেষ বিকেলের আগেই।

উৎসবে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীরা প্রশংসা করে বলেন, এমন আয়োজন কলেজ প্রাঙ্গণকে আরও প্রাণবন্ত করে এবং বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।