ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ক্রেমলিন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেওয়ার পর উত্তেজনা কমানোর উদ্দেশ্যে পুতিন মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন।
ফোনালাপে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস এবং দ্বিপাক্ষিক সংলাপ চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ বলেন, ‘এ অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন, এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন উত্তেজনা হ্রাসে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’
পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন দুই দেশের মধ্যে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দেন।
অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান রাশিয়ার জন্য জাতিসংঘে ইরানের সমর্থনের প্রশংসা করেছেন। রাশিয়া ইরানের একজন কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যেকোনো সংঘাত যা প্রো-মস্কো নেতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে, তার বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।
ফোনালাপটি রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্য এবং ইরানের সঙ্গে প্রথম প্রকাশ্য সংযোগ। এদিকে রাশিয়া ইসরাইলের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করছে, যদিও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ড নিয়ে রাশিয়ার সমালোচনা এই সম্পর্ককে কিছুটা জটিল করেছে।
শুক্রবার নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলাপের সময় ক্রেমলিন জানিয়েছে, ‘মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার জন্য রাশিয়া প্রস্তুত।’ তবে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট উদ্যোগের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে একটি সৌদি সূত্র এএফপিকে জানায়, সৌদি আরব, কাতার ও ওমান যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, যাতে ‘এ অঞ্চলে মারাত্মক প্রভাব এড়ানো যায়।’