ছবি: সংগৃহীত
সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেন প্রকল্পের জন্য মালিকানা যেসব ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে সেগুলোর মূল্য কম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুমির মালিকরা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের এই অভিযোগ উত্থাপন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ভূমির মালিকরা জানান, ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার ও তাজপুর বাজার এলাকায় ভুমির মূল্য অনেক বেশি। কিন্তু মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য এসব জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং একাধিক নোটিশও পেয়েছেন তারা। অধিগ্রহণের প্রক্রিয়াধীন এসব ভূমির প্রতি শতক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তারা। যা বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই।
বক্তারা বলেন, গোয়ালাবাজার তাজপুর এলাকায় দোকান কোঠার জায়গার দর আকাশ ছোঁয়া। কোন কোন জায়গা প্রতি শতক ৪০-৫০ লাখ টাকা দর হলেও কেউ বিক্রি করতে আগ্রহী হচ্ছে না। ওসমানীনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সর্বশেষ এসেসমেন্ট অনুযায়ি তাজপুর ইউনিয়নের দুলিয়ারবন্দ মৌজায় প্রতি শতক দোকানভিট ১৮লাখ ৬৫ হাজার, বরায়া মৌজায় ৮লাখ ৭৪ হাজার ৭৭০, গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের গ্রামতলা মৌজায় ১৮ লাখ টাকারও বেশি সর্বনিম্ন মূল্য হিসেবে ধার্য্য রয়েছে। অথচ এসব জায়গা কীভাবে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হিসেবে মুল্য নির্ধারণ করা হলো সে বিষয়ে অবাক হচ্ছেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়াধীন এসব ভূমির সঠিক মূল্য নির্ধারণ করে তা পরিশোধের জন্য ভূমি উপদেষ্টা, জেলা প্রশাসকসহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাজপুর ইউনিয়নের খাসিপাড়া গ্রামের ভূমি মালিক জাহেদ আহমদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি মালিক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শাহ খালিছ মিনার, শায়েক আহমদ, জুবায়ের আহমদ, আব্দুস সালাম রশিদি, মো. আনোয়ার হোসেন, ফারুক জাহাঙ্গীর, জোবায়ের আহমদ প্রমূখ।