প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬ ১৯:৫৪ (রবিবার)
চট্টগ্রাম শহরে ৩৩০ ‘দু/ষ্কৃতকারীর’ অবস্থান ও প্রবেশ নি ষি দ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের শান্তিশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে ৩৩০ জন ‘দুষ্কৃতকারী’র শহরে অবস্থান ও প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে কুখ্যাত ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ বেশ কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তি।

এ ছাড়া তালিকায় আরও রয়েছেন রাউজানের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, সাইফুল আলম লিমনসহ নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাবেক কাউন্সিলররা।

সন্ত্রাসীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে রয়েছে বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী, তাঁর সহযোগী ছোট সাজ্জাদ, মোবারক হোসেন, মোহাম্মদ রায়হান, খোরশেদ, ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না শারমিন, ইসমাইল হোসেন, শহিদুল ইসলাম বুইস্যা ও নুরুল আলম ওরফে হামকা আলম।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এসব সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত। একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থির করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তালিকায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা, বাকুলিয়া থানা বিএনপির নেতা মোর্শেদ খান, কোতোয়ালি থানা যুবদল নেতা হাসান এবং পাহাড়তলীর মাসুমের নাম উল্লেখযোগ্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী প্রকাশ্যে ও গোপনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করছে। সে কারণে তাদের কার্যক্রমে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, নগরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ওপর কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।