ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার কারণে ভারতের মাটিতে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে অনিচ্ছুক। আইসিসির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বিসিবি দরকষাকষি চালাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছিল, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ খবরকে ভুয়া বলে উল্লেখ করেছে গালফ নিউজ।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক সূত্র জানায়, পাকিস্তান কোনোভাবেই বিশ্বকাপ বয়কট করবে না। সূত্রটি বলে, ‘এ ধরনের খবর শুধুই তথ্য উত্তপ্ত করার জন্য ছড়ানো হচ্ছে। পাকিস্তান টুর্নামেন্ট থেকে সরে আসবে এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।’ যদিও পিসিবি বাংলাদেশ সরকারের নিরাপত্তা উদ্বেগকে যৌক্তিক মনে করেছে।
সোমবার পাকিস্তানের জিও সুপার জানিয়েছে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি আপাতত স্থগিত করেছে পিসিবি। বোর্ডের ভেতরের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, আয়োজন বা অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো দেশকে চাপ বা হুমকি দেওয়া উচিত নয়। এর আগে ১১ জানুয়ারি পিসিবি জানিয়েছিল, শ্রীলঙ্কায় ভেন্যু না পাওয়া গেলে তারা বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব রাখতে পারে।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২১ জানুয়ারির মধ্যে আসতে পারে। ঢাকায় আইসিসি ও বিসিবির সাম্প্রতিক বৈঠকে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বৈঠকে বিসিবি জানিয়েছে, তারা বিশ্বকাপে খেলতে চায়, তবে ভারত ছাড়া অন্য কোনো ভেন্যুতে ম্যাচ খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। বিকল্প হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে প্রস্তাব করা হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন হবে না। বাংলাদেশ গ্রুপ সিতে রয়েছে। তাদের প্রথম ম্যাচ কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। পরবর্তী দুটি ম্যাচও একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। শেষ গ্রুপ ম্যাচ হবে মুম্বাইয়ে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল ও কর্তৃপক্ষ ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর হুমকির কারণে সেখানে যাত্রা করতে অনিচ্ছুক।