শেষ ওভারের নাটকীয়তায় রংপুর রাইডার্সকে বিদায় করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠেছে সিলেট টাইটান্স।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলিমিনেটর ম্যাচে সিলেটের জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৯ রান। রংপুরের পক্ষে ফাহিম আশরাফ প্রথম পাঁচ বলে দেন মাত্র ৩ রান এবং মঈন আলীকে আউট করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় নিজের দলে নিয়ে যান। শেষ বলে প্রয়োজন দাঁড়ায় ৬ রান। সেই মুহূর্তে অফসাইডে ছক্কা হাঁকিয়ে সব হিসাব পাল্টে দেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় পায় সিলেট, টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় রংপুর।
লো স্কোরিং এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান সংগ্রহ করে রংপুর রাইডার্স। জবাবে ১১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে সিলেট টাইটান্সকে হারাতে হয় ৭ উইকেট, ম্যাচ গড়ায় শেষ বল পর্যন্ত।
রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই তাওফিক খানকে ২ রানে হারায় সিলেট। তবে পারভেজ ইমনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ভালো সূচনা পায় দলটি। ইমন ১২ বলে ১৮ রান করেন। আরিফুল ইসলাম করেন ১৮ বলে ১৭ রান। আফিফ হোসেন ব্যর্থ হন; ৯ বলে ৩ রান করে আলিস আল ইসলামের বলে বোল্ড হন তিনি।
এরপর স্যাম বিলিংস ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৪ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করেন, বিলিংস করেন ৪০ বলে ২৯। শেষ দিকে চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর। মঈন আলী ৫ রান করে আউট হলে ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়। তবে শেষ মুহূর্তে ক্রিস ওকস ৪ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন।
রংপুরের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট টাইটান্সের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বোলাররা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে রংপুরের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলেন। রংপুরের মাত্র তিন ব্যাটার দুই অঙ্কের রান করতে পারেন। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। খুশদিল শাহ ১৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন। নুরুল হাসান সোহান করেন ১৮ রান।
নোয়াখালীর বিপক্ষে আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা তাওহিদ হৃদয় এই ম্যাচে করেন মাত্র ১ রান। ডেভিড মালান ও লিটন দাস করেন ৪ রান করে। কাইল মায়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ৮ রান।
সিলেটের পক্ষে খালেদ আহমেদ সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ পান দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট নেন সালমান ইরশাদ।