সিলেট-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক (এম এ মালিক) বলেছেন, উন্নয়ন আর রাজনীতিকে আলাদা করে দেখি না। নেতৃত্ব মানে মানুষের কষ্ট বোঝা। দক্ষিণ সুরমাকে আর অবহেলিত থাকতে দেওয়া যাবে না- এই নিয়েই আমার রাজনীতি।” দক্ষিণ সুরমা এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলা, উন্নয়ন বৈষম্য ও রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, এই জনপদ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল হলেও আজ তা অবহেলিত।
শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারী) সিলেট মহানগর ৪১নং ওয়ার্ডে আয়োজিত নির্বাচনী এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সভায় এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত জাতীয় যুব সংস্থার মাধ্যমে সিলেট যুব কমপ্লেক্সে প্রশিক্ষণ গ্রহণসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন লিডারশিপ ট্রেনিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এমনকি কানাডায় আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “শহরের আশপাশের এলাকা, বিশেষ করে দক্ষিণ সুরমা আজও অবহেলিত। রাস্তাঘাট, নদীভাঙন, অবকাঠামো- সবক্ষেত্রেই আমরা পিছিয়ে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দক্ষিণ সুরমাই ছিল আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল।”
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এম এ মালিক বলেন, তিনি শুধু বাংলাদেশের নন, বরং বিশ্ব গণতন্ত্রের এক অনন্য প্রতীক। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলে তার অবদান স্বীকৃত। নেত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও প্রলোভন ত্যাগ করে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন কেবল মানুষের পাশে থাকার জন্য। দলীয় নেতৃত্ব ও জোটের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সুরমা আসনে নির্বাচন করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভাপতিত্ব করেন হাজী সাজাই মিয়া, আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, কুচাই ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক হাজী ইউনুস মিয়া, বিএনপি নেতা নজমুল হোসেন, ৪১নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী সমর্থকসহ অসংখ্য জনতা।