ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বড় ধাক্কা খেতেই বসেছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের সামনে শুরু থেকেই এলোমেলো হয়ে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। তবে অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদবের দায়িত্বশীল ও লড়াকু ইনিংসে শেষ পর্যন্ত সম্মানজনক সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় ভারত।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট তুলে নেয়। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই প্রথম উইকেট হারায় তারা। এরপর একে একে ফিরে যান শীর্ষ ব্যাটাররা।
অভিষেক শর্মা খাতা না খুলেই আউট হন। ইশান কিশান করেন ২০ রান, তিলক ভার্মা ২৫ রান যোগ করেন। শিবম দুবে শূন্য রানে ফিরে যান। রিঙ্কু সিং করেন মাত্র ৬ রান। হার্দিক পান্ডিয়াও ব্যর্থ হন ব্যাট হাতে।
এই ব্যাটিং ধসের মধ্যেই দৃঢ়তা দেখান অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব। তিনি এক প্রান্ত আগলে রেখে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন। ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খেলতে খেলতে শেষ দিকে আক্রমণাত্মক রূপ নেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৮৪ রানের লড়াকু ইনিংস।
অক্ষর প্যাটেল করেন ১৪ রান। অন্য ব্যাটারদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা না পেলেও একাই দলের রান এগিয়ে নেন সুর্যকুমার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬১ রান।
যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন শ্যাডলি ভ্যান শকউইক। তিনি চার উইকেট শিকার করেন। হারমিত সিং নেন দুই উইকেট। পুরো ম্যাচজুড়েই যুক্তরাষ্ট্রের বোলিং ছিল আত্মবিশ্বাসী ও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থতা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। তবে অধিনায়কের দায়িত্বশীল ইনিংস দলকে বড় লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করে। সুর্যকুমার যাদবের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ভারত।