ছবি: সাজু মারছিয়াং
রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। চা অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলায় ভোটকে ঘিরে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। তবে প্রস্তুতির পাশাপাশি রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ও সতর্কতা। জেলার মোট ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২২৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ফলে নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জেলার সাতটি উপজেলা থেকে ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে এসব সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের দাবি, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এবার ভোটাররা দুটি পৃথক ব্যালটে ভোট দেবেন-সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট।’
রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবেন। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, ভোটের দিন সারা জেলায় ১ হাজার ৬৪১ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত রিজার্ভ পুলিশও প্রস্তুত থাকবে। তিনি বলেন, `প্রতিটি কেন্দ্রে ১৫ জন আনসার সদস্য ও দুজন করে পুলিশ সদস্য থাকবেন।'
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।