ছবি: আব্দুল সামাদ
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় শালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কিত্তে কমরপুর গ্রামে তারাবির নামাজের পর অনুষ্ঠিত এক সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক আব্দুল সামাদ (২২) একই গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে পারিবারিক রাস্তা নিয়ে আব্দুল সামাদ ও রফিকুল ইসলামের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজের পর একই গ্রামের মাসুক মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাকির আহমেদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক মেম্বার মিনার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হন।
এ সময় ধারালো চাকুর আঘাতে গুরুতর আহত হন আব্দুল সামাদ। পরে তাকে উদ্ধার করে বালাগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূইয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।