প্রকাশিত : ০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪৫ (সোমবার)
নারীর ক্ষমতায়নে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা অগ্রগণ্য: সিসিক প্রশাসক

ছবি: সিসিক

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারীর ক্ষমতায়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ১৯৭৬ সালে প্রথমবারের মতো নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে নারীদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক মূলধারায় অন্তর্ভুক্তির পথ সুগম করেন।

রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা মহিলা দল আয়োজিত ‘অদম্য নারী সম্মাননা’, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জিয়াউর রহমান বিভিন্ন পেশায় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় সরকারে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন প্রবর্তন এবং আত্মনির্ভরশীলতা আন্দোলনে নারীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীর শিক্ষা বিস্তারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর সরকার দশম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা, উপবৃত্তি এবং ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি চালু করে। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ জোর দেয় এবং সরকারি চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাসনিম শারমীন তামান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ-এর অধ্যক্ষ ডা. জিয়াউর রহমান, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর পরিচালক সামা হক চৌধুরী, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি নিগার সুলতানা ডেইজী, সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও নারীনেত্রী সালেহা কবির শেপী এবং মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সদস্য ফাতেমা জামান রোজী প্রমুখ।

আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত নীতি ও উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে নারীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনও নারীর পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতায়ন অর্জিত হয়নি। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন-দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী; তাই তাদের ঘরে বন্দি রেখে কোনোভাবেই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে ৩০ শতাংশ নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।