প্রকাশিত : ০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩২ (সোমবার)
৩৫ বাংলাদেশিসহ ১৫৯ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুতে অবস্থিত পেকান নেনাস (পাইনঅ্যাপল টাউন) ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের মোট ১৫৯ জন বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্চ ২০২৬ সালের শুরুতে পরিচালিত এ কার্যক্রমে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে বাংলাদেশের ৩৫ জন ছাড়াও রয়েছেন- ইন্দোনেশিয়ার ৭২ জন, মিয়ানমারের ২০ জন, থাইল্যান্ডের ১৩ জন, চীনের ৮ জন, ভারতের ৩ জন, ভিয়েতনামের ৩ জন, শ্রীলঙ্কার ২ জন, নেপালের ২ জন এবং কম্বোডিয়ার ১ জন নাগরিক।

তাদেরকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনাল হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, প্রত্যাবাসিত বন্দিদের সবার কাছেই বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করা হয়।

এছাড়া প্রত্যাবাসিত সকল বন্দিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বন্দিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো একটি নিয়মিত কার্যক্রম। জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ সক্রিয়ভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, যাতে সাজা শেষ করা বন্দিরা দেশে থেকে না যায় এবং ডিপোতে বন্দির সংখ্যা বেড়ে না যায়।

বন্দিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম- যেমন বিমান টিকিট ক্রয়সহ অন্যান্য ব্যবস্থা- পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপোর সার্ভিস কাউন্টার থেকে সম্পন্ন করা যায় এবং এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত ‘সার্ভিস চার্জ’ নেওয়া হয় না।