ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় ১০ দিনের মাথায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান।
ইরানের প্রভাবশালী ধর্মীয় পরিষদ ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ঘোষণা দিয়েছে যে, খামেনির ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে তাকে নির্বাচিত করা হয়।
নতুন নেতার ঘোষণা দেওয়ার পর ইরানের সরকার, সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে শক্তিশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরাসরি নতুন নেতার সঙ্গে দেখা করা সম্ভব না হলেও সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানী তেহরান-এ জড়ো হয়ে সাধারণ মানুষ মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তারা নিহত আলী খামেনি ও নতুন নেতার ছবি হাতে মিছিল করেন এবং সরকার ও নেতৃত্বের পক্ষে স্লোগান দেন।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আলী খামেনি নিহত হন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সূত্র জানায়। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও হতাহত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।