প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২২ (শুক্রবার)
ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে পুলিশের বিভিন্ন পরামর্শ

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে যাত্রী, চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের জন্য বেশকিছু নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ঈদের ভ্রমণ পরিকল্পনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভ্রমণের সময় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। চালককে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে চাপ না দেওয়া এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসের ছাদে কিংবা ট্রাক, পিকআপসহ পণ্যবাহী যানবাহনে ভ্রমণ না করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।

রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে জেব্রা ক্রসিং অথবা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। যেখানে এসব ব্যবস্থা নেই, সেখানে যানবাহনের গতি লক্ষ্য করে নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার এবং প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাস চালকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ওভারস্পিডে গাড়ি চালানো ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্লান্তি, অবসাদ বা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি না চালানোর পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে এবং বাসে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা যাবে না।

নৌপথে চলাচলকারীদের জন্যও বিশেষ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। লঞ্চ, স্টিমার বা স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ওঠা এবং নৌযানের ছাদে ভ্রমণ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌপথে যাতায়াত থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নৌযান মালিক ও চালকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে যাত্রা শুরু করা, পর্যাপ্ত বয়া ও লাইফ জ্যাকেট রাখা, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া নৌযান পরিচালনা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্রেন যাত্রীদের ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি ও ইঞ্জিনে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভ্রমণের সময় মালামাল নিজের দায়িত্বে রাখার এবং বিনা টিকিটে ট্রেনে না ওঠার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যাত্রাপথে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ, র‍্যাব কিংবা সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।