দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রবিবার (১৫ মার্চ) জারি করা এক সিদ্ধান্তে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক করা হয়েছে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমকে।
আবুল কাহের চৌধুরী শামীম গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত দল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহম চৌধুরীকে মনোনয়ন দিলেও কাহের শামীম দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন।
সরকারের ঘোষণায় দেখা যায়, নতুন প্রশাসক হিসেবে পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ এবং বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরীকেও জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ নিয়োগের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।