প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৭ (বৃহস্পতিবার)
সিলেটের সাবেক এক ইউএনও’র কান্ড: নী/ল ভিডিও তৈরী করতেন নারীদের নিয়ে

সাগরপাড়ের দ্বীপ উপজেলা নোয়াখালীর হাতিয়ার ইউএনও মো. আলাউদ্দিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক অশ্লীল ভিডিও দেশের বিভিন্ন স্থানে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সুনামগঞ্জেও ব্যাপকভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। জানা গেছে, তিনি নারীদের নিয়ে পর্ণ ভিডিও বানাতেন, যদিও তিনি এগুলোকে সম্পূর্ণ ভুয়া দাবি করেছেন।

মো. আলাউদ্দিন তার নোয়াখালীর স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পূর্বের কর্মস্থলে কিছু বিরোধের জেরে কেউ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তাকে নিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।

তথ্যমতে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোর দৈর্ঘ্য ৯ থেকে ১৮ মিনিট পর্যন্ত এবং অন্তত সাতজন নারীর সাথে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত ধারণ করা অন্তত ১০টি ভিডিও রয়েছে। অনলাইন অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম দ্য ডিসেন্ট এসব ভিডিও যাচাই করে নিশ্চিত করেছে যে এগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি দিয়ে তৈরি নয়। মূল ভিডিও সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাতজন আলাদা নারীর চেহারা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যদিও তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

ফাঁসের নেপথ্যে ছিলেন শাল্লা উপজেলা ভূমি অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী রাজু রায়। দ্য ডিসেন্টের অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজু পেনড্রাইভের মাধ্যমে ভিডিওগুলো নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পরবর্তীতে আলাউদ্দিনকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকও, যারা ভিডিওগুলো অন্যের হাতে পৌঁছে দিতেন।

ভিডিও সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার রাতেই মো. আলাউদ্দিনকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ থেকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।


সূত্র: দ্য ডিসেন্ট।