ছবি: সংগৃহীত
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে ভর্তির সময় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে এক লাখ টাকা জমা দিতে হবে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বরের সই করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, অনলাইনে প্রাপ্ত আবেদনের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আসন শূন্য থাকলে অনলাইন ঐচ্ছিক মাইগ্রেশনের মাধ্যমে অন্য মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজে স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন। মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করা যাবে ২৯ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ৩১ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে জানা যাবে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মূল সনদপত্র যাচাই করে কলেজ কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে। ভর্তির আগে মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও সম্পন্ন করতে হবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের সাময়িকভাবে ভর্তি করা হবে।
ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে- ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, ফলাফলের কপি, এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ ও নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, নাগরিকত্ব সনদ এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। প্রাথমিকভাবে ভর্তির সময় প্রতি শিক্ষার্থীকে এক লাখ টাকা জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত বাকি ফি মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ভর্তির পর শিক্ষার্থীদের সনদপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। অনলাইন মাইগ্রেশন শেষে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের তালিকা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পোর্টালে আপলোড করতে হবে। কলেজগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে ভর্তিকৃত ও অভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তালিকা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে।
ভর্তি সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।