ছবি: সংগৃহীত
এইচবিও ২০২৩ সালে ‘হ্যারি পটার’ টিভি সিরিজ তৈরির ঘোষণা দিয়েছিল। জে. কে. রাওলিংয়ের জনপ্রিয় বই অবলম্বনে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আসছে- এ খবরে তখন থেকেই উচ্ছ্বসিত ছিলেন ‘পটারহেড’রা। তিন বছরেরও বেশি অপেক্ষার পর অবশেষে চলতি বছরের বড়দিনে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিরিজ। মুক্তির আগে প্রকাশিত ট্রেলারটি ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ট্রেলারটির ভিউ ২৭৭ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে, যা এটিকে এইচবিও ও এইচবিও ম্যাক্সের সবচেয়ে বেশি দেখা ট্রেলারে পরিণত করেছে।
এই সিরিজটি জে. কে. রাওলিংয়ের সাত খণ্ডের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। আগে ড্যানিয়েল রেডক্লিফের অভিনয়ে বড় পর্দায় ‘হ্যারি পটার’ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পায়। এবার সেই গল্পই নতুনভাবে টেলিভিশনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি মৌসুমে একটি করে বইয়ের কাহিনি তুলে ধরা হবে। প্রথম মৌসুমে দেখানো হবে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সোরসারার্স স্টোন’-এর গল্প।
ট্রেলারে দেখা যায়, ১১ বছর বয়সী হ্যারি হঠাৎ করেই জানতে পারে সে একজন জাদুকর এবং তাকে হগওয়ার্টস জাদুবিদ্যার স্কুলে ভর্তির আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর সে পরিচিত হয় রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের সঙ্গে। কুইডিচ খেলা, ক্লাসে অংশগ্রহণ এবং ‘সোর্টিং হ্যাট’–এর মাধ্যমে হাউস বাছাই—সব মিলিয়ে জাদুর জগতে তার নতুন যাত্রা শুরু হয়। ট্রেলারের একটি আবেগঘন দৃশ্যে হ্যারি তার বাবা-মা সম্পর্কে জানতে চাইলে হ্যাগ্রিড জানান, তারা ছিলেন সাহসী, দয়ালু এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষ।
এই সিরিজে হ্যারি পটারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ডমিনিক ম্যাকলাফলিন। রন উইজলি চরিত্রে রয়েছেন অ্যালাস্টেয়ার স্টাউট এবং হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অ্যারাবেলা স্ট্যানটন। তিনজনই জাদুবিদ্যার পাশাপাশি ভয়ংকর লর্ড ভলডেমর্টের হুমকির মুখোমুখি হবে। উল্লেখ্য, ডমিনিক ম্যাকলাফলিন পূর্বে ‘গিফটেড’ সিরিজ ও ‘গ্রো’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আর অ্যারাবেলা স্ট্যানটন লন্ডনের ওয়েস্টএন্ডে ‘ম্যাটিল্ডা: দ্য মিউজিক্যাল’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে প্রশংসা অর্জন করেন।
সিরিজটির শোরানার হিসেবে রয়েছেন ফ্রানচেস্কা গার্ডিনার এবং পরিচালনায় আছেন মার্ক মেলড। সবকিছু ঠিক থাকলে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন’ অবলম্বনে প্রথম মৌসুমটি চলতি বছরের বড়দিনে এইচবিও টিভিতে প্রচারিত হবে এবং অনলাইনে দেখা যাবে এইচবিও ম্যাক্সে।