প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৪ (বৃহস্পতিবার)
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৭১৫৪ বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করেছে ইমিগ্রেশন

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) সম্প্রতি পরিচালিত ‘অপস পান্তাউ’ অভিযানের মাধ্যমে মোট ৭,১৫৪ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র ও অবস্থানের বৈধতা পরীক্ষা করেছে। ২০ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ (রোববার) পর্যন্ত চলা এই অভিযানে দেশজুড়ে ১৪৭টি স্থানে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

১ এপ্রিল (বুধবার) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পুরো অভিযানে ২২৩ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশি নাগরিকদের বৈধ কাগজপত্র, ভিসা অবস্থা এবং দেশে অবস্থানের বৈধতা যাচাই করা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যেসব দেশের নাগরিকদের ওপর সর্বাধিক পরীক্ষা চালানো হয়েছে, তাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৩,৩৫৪ জন। এছাড়া মিয়ানমারের ৭৮২ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৭৭৯ জন, পাকিস্তানের ৫১৪ জন, নেপালের ৪৭৮ জন, ভারতের ৩৪০ জন, থাইল্যান্ডের ১৬৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫৭ জন, চীনের ১২১ জন এবং ব্রুনেইয়ের ১০৫ জন নাগরিককে পরীক্ষা করা হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, ‘অপস পান্তাউ’ শুধুমাত্র একটি নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম নয়; এটি অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভাগের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। অবৈধভাবে বসবাস বা কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তারা মনে করে।

তবে একই সঙ্গে বিভাগটি স্পষ্ট করেছে যে, আইন প্রয়োগে কঠোরতা বজায় রাখলেও তারা মানবিক ও সংযত পদ্ধতি অনুসরণ করছে। বিশেষ করে উৎসবের সময়কাল বিবেচনায় রেখে স্থানীয় জনগণের অনুভূতি ও সামাজিক রীতিনীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে। জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অযথা আতঙ্ক বা উদ্বেগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগ আরও জানায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল থাকে এবং আইন লঙ্ঘনের প্রবণতা কমে আসে।