প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭ (শুক্রবার)
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তি মাইলফলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর সাথে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজুইকি কাটাওকা বৈঠক করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও সুযোগসমূহ তুলে ধরেন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান -বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তি একটি মাইলফলক। এটি বাংলাদেশের সাথে অন্যান্য দেশের ইপিএ আলোচনার ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজুইকি কাটাওকা বলেন, নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) দেশ পরিচালনার দায়িত্বে গ্রহণের পর বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বাংলাদেশের সাথে জাপানের ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষর বাণিজ্য সম্ভাবনা আরো বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অনেক জাপানি বিনিয়োগকারী এ দেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। জাপানি বিনিয়োগ এদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল ও মেট্রোরেলের মতো স্থাপনায় জাপানি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে জেটরো’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ একই সাথে বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে প্রোমোট করতেও জেটরো ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। 

উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান সুদৃঢ় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।