৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে দেশে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। সকাল ৯টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে বলে শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য দ্রুত সময়ে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনা। উদ্বোধনী দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত পাবনা সদরে, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী গাজীপুরে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করবেন। বাকি স্পটগুলোতে স্থানীয় সিভিল সার্জনরা প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জ্বর বা অসুস্থ থাকা শিশুদের এই সময়ে টিকা দেওয়া হবে না। হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।
টিকাদান কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় শুরু হবে। এগুলো হচ্ছে— বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।
সরকারি সূত্র জানায়, জরুরি এই কর্মসূচির আওতায় মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।