ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় রাজধানী ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার প্রথম দফা শেষ হয়েছে।
ইসলামি বিপ্লব-এর পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈরিতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা বৈশ্বিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম দফার বৈঠকটি প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং আলোচনা পরিবেশ ছিল ইতিবাচক। যদিও আলোচনার বিস্তারিত বিষয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও বিভিন্ন সূত্রে কিছুটা আশার ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আলোচনায় ইসরাইল-এর সামরিক অভিযান দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং রাজধানী বৈরুত-এ নতুন করে হামলা না চালানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়েও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তবে আলোচনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।
সূত্র মতে, উভয় পক্ষই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছে এবং আলোচনার গোপনীয়তা বজায় রাখছে।
পরবর্তী ধাপে দুই দেশের প্রতিনিধি দল আবারও নৈশভোজে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে। এখন পুরো বিশ্বের দৃষ্টি ইসলামাবাদের আলোচনার টেবিলে—এই প্রক্রিয়া কতদূর গড়ায় এবং তা থেকে কোনো স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় কি না, সেটিই দেখার অপেক্ষা।