সিলেটে তরুণ-তরুণীকে একটি ঘরে আটকিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভিডিও ধারণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯ সদস্যরা। র্যাব-৯ জানিয়েছে, গত ৯ এপ্রিল এক তরুণ (রিফাত) এবং তার সাথে থাকা তরুণীকে জোর পূর্বক অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। রিফাতের বাড়ি সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জে।
র্যাব জানায়, একটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনায় অভিযুক্তরা রিফাতকে তার বন্ধুর সঙ্গে নিয়ে সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন যতরপুর এলাকার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ধারালো চাকু দিয়ে ভিকটিম ও তার বন্ধুকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তাদের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরে অভিযুক্তরা ২টি মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা, একটি রূপার চেইন এবং একটি রূপার ব্রেসলেট নিয়ে যায়। এরপর তারা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে, অন্যথায় ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ভিকটিমরা পরিচিত লোকজন থেকে বিভিন্ন বিকাশের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্তদের হাতে দেন। ঘটনায় ভিকটিম এসএমপি, সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
এরপর র্যাব-৯ সদর কোম্পানী, সিলেট একটি আভিযানিক দল গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে গোয়াইনঘাট থানাধীন ০৩নং জাফলং ইউনিয়নের নলজুড়ী বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এক পলাতক সদস্য আফসার আহমেদ (২৫) গ্রেফতার করা হয়। আফসার আহমেদ গোয়াইনঘাটের মকবুল আহমেদের ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-৯ দেশের আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রাখছে।