ছবি: ম্যাডোনা
মার্কিন পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা দীর্ঘ সাত বছর পর নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস অন এ ড্যান্স ফ্লোর: পার্ট ২’ প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন। ৬৭ বছর বয়সেও তিনি আবারও ভক্তদের নাচের ছন্দে ভাসাতে প্রস্তুত।
অ্যালবামটি আগামী ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডস-এর ব্যানারে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এটি ২০০৫ সালের আইকনিক অ্যালবাম ‘কনফেশনস অন এ ড্যান্স ফ্লোর’-এর সিক্যুয়াল, যা ইতোমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
এই অ্যালবামের মাধ্যমে প্রায় দুই দশক পর আবারও প্রখ্যাত প্রযোজক স্টুয়ার্ট প্রাইস-এর সঙ্গে কাজ করছেন ম্যাডোনা। আগের অ্যালবামের সফলতার পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। সেই অ্যালবামের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ছিল ‘হাং আপ’, ‘সরি’ ও ‘জাম্প’।
১৯৮২ সালে ওয়ার্নার রেকর্ডস থেকে স্বনামে প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন ম্যাডোনা। এরপর ‘লাইক আ ভার্জিন’ (১৯৮৪) ও ‘লাইক আ প্রেয়ার’ (১৯৮৯)-এর মতো হিট গানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান তিনি।
১৯৯২ সালে তিনি টাইম ওয়ার্নারের সঙ্গে যৌথভাবে ‘ম্যাভেরিক’ নামে একটি মাল্টিমিডিয়া বিনোদন প্রতিষ্ঠান ও রেকর্ড লেবেল প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৮ সালে ‘হার্ড ক্যান্ডি’ অ্যালবামের মাধ্যমে ওয়ার্নার রেকর্ডসের সঙ্গে তার দীর্ঘ ২৫ বছরের সম্পর্কের ইতি ঘটে। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আবারও এই লেবেলের অধীনে নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করছেন তিনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যমে অ্যালবামের ঘোষণা দেন ম্যাডোনা। একই সঙ্গে প্রকাশ করেন অ্যালবামের কভার আর্ট এবং প্রথম গানের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ, যা ভক্তদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ম্যাডোনা ও স্টুয়ার্ট প্রাইস অ্যালবামের ভাবনা তুলে ধরে জানান, নাচ, উদযাপন এবং শরীরের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ এক ধরনের আধ্যাত্মিক চর্চা। তাদের মতে, ড্যান্স ফ্লোর এমন এক স্থান, যেখানে মানুষ নিজের অনুভূতি ও ভেতরের জগতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
এ প্রসঙ্গে ম্যাডোনা বলেন, ‘নিউইয়র্কে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মাত্র তিনটি গানের চুক্তি দিয়ে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরু থেকেই ওয়ার্নার রেকর্ডস আমার সহযাত্রী ছিল। আবার একসঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে নতুন সংগীত তৈরি, অপ্রত্যাশিত কিছু উপস্থাপন এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিতে চান তিনি।