ছবি: সিসিক
সিলেটে বিদ্যুতের লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনায় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত লোডশেডিং না করে অন্য সময় সমন্বয়ের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে নগর ভবন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে তিনি এ আশ্বাস দেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ সংকট সৃষ্টি হলেও মানুষের সুবিধা বিবেচনায় পরিকল্পিত রেশনিং করা গেলে ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষ করে বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে ব্যবসায়ীরা তাদের ক্ষতি অনেকাংশে পুষিয়ে নিতে পারবেন।’
তিনি জানান, মহানগরের ৩১০টি মার্কেট ও বাজারের ব্যবসায়ীরা বৈঠক করে ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিং বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন।
প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সোমবার সকালে সিলেটের চার জেলায় ২১৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পিডিবি ১৮১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেয়েছে। এ কারণে নির্দিষ্ট সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট অনিবার্য হয়ে পড়েছে। তবে প্রশাসকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লোডশেডিং কমিয়ে আনা যায়।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস।
এ সময় সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, পিডিবির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ, নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র সরকার, মোহাম্মদ আরাফাত, শাসছ-ই-আরেফিন, মো. আব্দুর রাজ্জাক ও অনিক সরকার এবং সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।