প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৫ (সোমবার)
বাণিজ্যিকভাবে কেঁচোর চাষ করে সাড়া ফেলেছেন কৃষানী মুর্শেদা 

ছবি: সংগৃহীত

কেঁচোকে বলা হয় প্রাকৃতিক লাঙ্গল। যে মাটিতে কেঁচো থাকে সে মাটিতে ফলন ভালো হয়। কেঁচো থেকে তৈরী অন্যতম জৈব সার হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট ।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট এর অন্যতম উপাদান কেঁচোর আবাদ করে স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছে হত দরিদ্র একটি পরিবার। কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কারিগরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় উপকরন সরবরাহ করা হচ্ছে। 

ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচোসার হলো এক  জৈব সার। যা জমির উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে।  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ইব্রাহীমপুর (দক্ষিন) গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক কাউসার মিয়ার স্ত্রী মুর্শেদা বেগম। কৃষি বিভাগের সহায়তায় এনটিপি- ২ প্রকল্পের আওতায় ৪/৫ বছর আগে রেড ওয়ার্ম জাতের চায়না কেঁচোর আবাদ শুরু করেন। এটি এখন তার অন্যতম আয়ের উৎস্যে পরিণত হয়েছে। 

কৃষানী  মুর্শেদা জানান, এই সার তৈরির পদ্ধতি অনেক সহজ। এ পদ্ধতিতে কেঁচোর মলত্যাগের পর দেহ থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বের করে যে সার তৈরি হয় তাকে কেঁচো কম্পোস্ট বা ভার্মি কম্পোস্ট বলা হয়। এছাড়া সার তৈরিতে শাক- সবজির উচ্ছিষ্ট, মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। প্রতিমাসে ৫/৬ কেজি কেঁচো উৎপাদন হয় যা থেকে প্রতিমাসে ১০/১২ হাজার টাকা আয় হয়। 

স্থানীয়রা জানান, প্রথমে অনেকেই নাক ছিটকালেও তার সফলতায় এখন অনেকেই কেঁচো চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। 

নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, লাভজনক এ ব্যবসা প্রসারে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সরবরাহের করা হচ্ছে। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষক ও কৃষানীরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা।