প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩৩ (রবিবার)
ট্রাফিক আইন ভাঙলেই অটো নোটিশ, জরিমানা না দিলে সমন-পরোয়ানা

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে হাজিরা না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রমও শুরু হচ্ছে।

রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাগরিক সেবা উন্নত করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারী চালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকদের ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে অটো জেনারেটেড নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

নোটিশ পাওয়ার পর মালিক বা চালকদের ডিএমপি সদর দপ্তর অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

ডিএমপি আরও জানায়, নোটিশ পাওয়ার পরও কেউ হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আইনগত প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে।

এদিকে, সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার জরিমানা পরিশোধের নামে কোনো ব্যক্তি বা চক্র আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য চেয়ে প্রতারণার চেষ্টা করলে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি। এমন ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ থানা বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা দেওয়া হচ্ছে।