প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯ (রবিবার)
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় সমাবেশের ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘নবম পে স্কেল’ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।

শনিবার (২ মে) সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মে মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ মে পটুয়াখালী এবং ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৬ মে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা জানান, গত ১১ বছরে দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীরা এখনো নতুন কোনো পে স্কেল পাননি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা তীব্র আর্থিক সংকটে রয়েছেন।

তাদের দাবি, অধিকাংশ কর্মচারী ঋণের বোঝায় জর্জরিত। মাস শেষে ঋণ পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হয় না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে নতুন করে ঋণ নিচ্ছেন।

সংগঠনটির মতে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না রাখা হলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়তে পারে।

এদিকে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসে গঠিত পুনর্গঠিত কমিটি নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। মুদ্রাস্ফীতি, দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম পে স্কেলের প্রথম ধাপ, অর্থাৎ মূল বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ কার্যকর হতে পারে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি আশা করছে, আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।