ফাইল ছবি
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শপিংমলের সময়সূচি বাড়ানোর দাবি উঠেছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধা বিবেচনায় শপিংমল বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ৯টা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি।
গতকাল সংগঠনটি জানিয়েছে, গত শনিবার সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপুর সই করা এক চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি শপিংমলগুলো সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে দেশের হাজার হাজার ব্যবসায়ী গুরুতর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অধিকাংশ ক্রেতা অফিস শেষে সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে আসেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং ব্যবসার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা, যেমন রেডিমেড গার্মেন্টস ও ছোট দোকানদাররা ইতোমধ্যে সংকটে পড়েছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারের ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সন্ধ্যার পর অনেক ভ্যানভিত্তিক অননুমোদিত ব্যবসা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে। এতে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাজারে একটি অসম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, তারা সব সময় সরকার নির্ধারিত আইন ও নীতিমালা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে বিদ্যুৎসাশ্রয়, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন। এ অবস্থায় বিকল্প হিসেবে শপিংমল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে ১১টা নির্ধারণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।