প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫ (বৃহস্পতিবার)
মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশ ছাড়ালো

ছবি: সংগৃহীত

গত এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়েছে।

বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এপ্রিল মাসে তা শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। মার্চে যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, সেখানে এপ্রিল মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মার্চ মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে।

গ্রামাঞ্চলে এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ১৯ এপ্রিল সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এর প্রভাব বাজারে পড়তে শুরু করেছে। সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রল ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও পণ্য সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে, ফলে সাধারণ ভোক্তাদের আগের তুলনায় বেশি খরচে পণ্য কিনতে হচ্ছে।