ছবি: শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল, সিলেট।
সিলেটে হামের চিকিৎসায় শুরু থেকেই সেবা দিয়ে আসছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল। তবে চলতি মাসের শুরু থেকে হামের রোগী বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালটিতে তৈরি হয়েছে তীব্র চাপ। শয্যা সংকটের কারণে এক বেডে ২ থেকে ৩ জন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, আর প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের ঠাঁই হচ্ছে মেঝেতে।
শনিবার (৯ মে) সরেজমিনে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। একটি শয্যায় দুই থেকে তিনজন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অনেক প্রাপ্তবয়স্ক রোগীকে মেঝেতে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
রোগীর স্বজনরা জানান, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত রোগী থাকায় বাধ্য হয়ে একাধিক রোগীকে একই শয্যায় রাখা হচ্ছে। এতে রোগীদের কষ্টের পাশাপাশি স্বজনদেরও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালের মূল ফটকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছায়। অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলতেই একে একে ১৪ জন শিশুকে নামতে দেখা যায়। জানা গেছে, হামে আক্রান্ত এসব শিশুকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। বাধ্য হয়েই এক বেডে একাধিক রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।’
অন্যদিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডকে হামের জন্য চালু করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আপাতত শামসুদ্দিন হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।