ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে আগামী নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেছেন, তার ধারণা অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারে। তার ভাষায়, ‘মানুষের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘ নয়’ এবং রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির আবারও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিপস্টেট প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্বের প্রায় সব বড় ঘটনার সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে ‘ডিপস্টেট’ জড়িত থাকে—তবে তা সবসময় সরাসরি নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা নয়, বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রভাবিত হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কথিত ‘কিচেন কেবিনেট’ বিষয়ে একটি বৈঠকে তাকে একবার যমুনায় যেতে হয়েছিল এবং পরে জানতে পারেন সেখানে নিয়মিত কিছু ব্যক্তি প্রতি মঙ্গলবার অনানুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক করেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের চেষ্টা করেন- যদিও এ বিষয়ে তার পূর্ণ ধারণা ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের আগে হওয়া একটি বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুব একটা সম্পৃক্ত ছিল না; বরং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ভূমিকা ছিল বেশি।’ তার মতে, বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের সময় করা হলে ভালো হতো।
এছাড়া ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি-এ শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে পাঠানো চিঠির বিষয়ে তিনি বলেন, এর কোনো জবাব আসবে- এমন প্রত্যাশা তিনি নিজেও করেননি। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় শেখ হাসিনা-এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন একেবারে অসম্ভব নয় এবং তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।
এই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচার করেছে যমুনা টেলিভিশন।