ছবি: সংগৃহীত
দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে ৫৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫৭টির বেশি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিশ্চিত সংক্রমণ কিছুটা কমলেও হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা এখনো বেশি। সর্বশেষ সপ্তাহে (১৮-২৪ মে) ৫৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল ৭৩২ রোগী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণের প্রকৃত অবস্থা বোঝার ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার গুরুত্বপূর্ণ সূচক। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা ২০২৫ সালে টিকাদানে বিলম্ব, শিশুদের অপুষ্টি এবং ভিটামিন-এ কর্মসূচির ঘাটতিকে প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন। এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও এখন পর্যন্ত দেশের সব জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু টিকাদান নয়, আক্রান্তদের চিকিৎসা ও রোগ ব্যবস্থাপনাও জরুরি। পাশাপাশি ঈদের ছুটিতে মানুষের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও জনসচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচারণারও আহ্বান জানিয়েছেন।