প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২৬ ২০:০০ (শনিবার)
ওসমানীনগরে লাগসই প্রযুক্তি নিয়ে সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের ওসমানীনগরে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে যৌথভাবে সহযোগিতা করে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম মোসা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম তালুকদার, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আসিফ ইবনে জসিম ইকবাল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ, দপ্তর সম্পাদক জিতু আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন আনা, বিসিএসআইআরের টেকনিশিয়ান আহম্মদ হোসেন, অফিস সহায়ক মো. হৃদয় মিয়াসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিসিএসআইআরের প্রতিনিধি, স্থানীয় শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিসিএসআইআরের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার নওরীন তারান্নুম প্রজেক্টরের মাধ্যমে সংস্থার বিভিন্ন গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এস এম মোসা বলেন, স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও শিল্পখাতে স্থানীয় উদ্ভাবনের প্রয়োগ বাড়ানো গেলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তৈরি প্রযুক্তিকে মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও উদ্ভাবনী চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের সেমিনার ও প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেমিনার শেষে আয়োজিত প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী ও ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শিত প্রযুক্তিগুলো স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে। অংশগ্রহণকারীরা এসব প্রযুক্তির ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন।