ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ার রাতের আকাশে যেন এক দীর্ঘ নাটকের মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। দর্শকের চোখে ছিল সুইজারল্যান্ডের দাপট, আর কাতারের ভাগ্যে লেখা ছিল প্রতিরোধের এক বিস্ময়কর গল্প।
ম্যাচের শুরু থেকেই সুইসরা আক্রমণের পর আক্রমণ সাজিয়েছে। ১৭ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর পেনাল্টি থেকে করা গোল যেন তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণের গতি, শটের পর শট; সবই ছিল সুইজারল্যান্ডের পক্ষে। একসময় মনে হচ্ছিল, ব্যবধান শুধু বাড়ার অপেক্ষা।
কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও পরিসংখ্যানকে উপহাস করে। ২৭টি শট নিয়েও সুইজারল্যান্ড দ্বিতীয় গোল খুঁজে পেল না। আর সেই অপূর্ণতাকেই আশ্রয় করল কাতার। ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়াল, ততই তারা মরিয়া হলো। অতিরিক্ত সময়ের শেষ প্রহরে, ৯৪ মিনিটে বুয়ালেম খুখির পায়ে এলো মুক্তির সেই স্পর্শ; একটি গোল, যা শুধু স্কোরলাইন বদলায়নি, বদলে দিয়েছে ম্যাচের আবহও। সুইজারল্যান্ড ১–১ কাতার।
একটি দল খেলেছে জয়ের জন্য, অন্যটি লড়েছে বেঁচে থাকার জন্য। আর ফুটবল তার পুরোনো নিয়মেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে; শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনো গল্প শেষ হয় না।