প্রকাশিত : ২৩ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৩ (বুধবার)
সিলেটের ডিসির বদলি মাজার নয় ‘গোপন’ সিদ্ধান্ত থাকতে পারে: ডা. জাহেদ

সিলেটের ডিসি পরিবর্তন ইস্যুতে তিনি বলেন, সিলেটের ডিসি পরিবর্তন মাজারের আর্থিক ব্যবস্থা জানতে চাওয়ার কারণে হয়েছে, এটা বলা ঠিক নয়। আরও অনেক কারণ থাকতে পারে। কিছু বিষয়ে রাষ্ট্রের গোপনীয় সিদ্ধান্ত থাকে। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি সব মাজারের দানের টাকায় স্বচ্ছতা চাই।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না সেটি আদালতে বিচারের পর নির্ধারিত হবে। যেহেতু তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে, সেহেতু তারা কোনো কর্মসূচি নিয়ে এখন মাঠে নামতে চাইলে আইনভঙ্গকারী হবে। সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দলগুলো হয়তো প্রতীকীভাবে মাঠে আছে, যেহেতু আওয়ামী লীগ বলছে তারা অনেককিছু করে ফেলবে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দেয়ার মানে এই নয় যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অনেক কিছু করে ফেলবে। অনেককিছু করে ফেলার নৈতিক সাহস তাদের আছে বলে মনে করি না। দেশের সবার ডিমেনশিয়া হলে তখন হয়তো আওয়ামী লীগ বড় গলায় কথা বলতে পারবে, এর আগে মনে হয় হবে না। মাফিয়া, চোর বাটপার, লুটপাটকারীদের খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না। তবুও যে কয়েকটি জেলায় ঝুঁকি কিছুটা বেশি মনে হয়েছে সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে জননিরাপত্তার স্বার্থে। আওয়ামী লীগ অনেক কিছু করতে পারবে, সরকার এমন কিছু মনে করে না। ছোটখাটো নাশকতার সক্ষমতা হয়তো তাদের আছে। আর দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিএনপি কি করবে, সেটি বিএনপির কাছে জানতে হবে। 

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাইয়ে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে, সেখানে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে জড়িত ছিলো কিনা সেটি দেখা হবে। এ নিয়ে বিচার চলছে। যদি সংগঠন হিসেবে জড়িত থাকে তাহলে তার জনসমর্থন যেমনই থাকুক, তাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়তো আদালত নেবে। হয়তো বলছি, কারণ এটি আদালতের এখতিয়ার; আমাদের কিছু করার নেই। তবে সভ্য দেশে রায় বিপক্ষে গেলেও মেনে নিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দল নিষিদ্ধ হবে কি না সে নিয়ে আইসিটিতে মামলা চলছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়া উচিৎ কি উচিৎ না সে বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে সমাজে আলোচনা আছে। সে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে আদালত নির্ধারণ করবে। এজন্য অপেক্ষা করব।

তিনি বলেন, প্রতিটি গণপরিবহনে জিপিএস যুক্ত করতে হবে, গাড়ি চালানোর সময় জিপিএস চালু রাখতে হবে। এ উদ্যোগের ফলে সেবার মান বাড়বে। এ ছাড়া, আরও ১০টি জেলায় নতুন রেল যোগাযোগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর বাজেটের পর বাজারে দাম বৃদ্ধির যে প্রবণতা দেখা যায়, এবার সেটি নেই বললেই চলে।

তিনি আরও বলেন, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। শুরু হওয়ার পর থেকে এক বছরের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার চেষ্টা করবে সরকার।

 

-চ্যানেলটুয়েন্টিফোর