প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২৬ ২১:০৭ (মঙ্গলবার)
বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনে কড়াকড়ি

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। নতুন নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য কিছু ভিসা ক্যাটাগরিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা যাচাই ও কাগজপত্র যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাস, গ্রিন কার্ড এবং ডাইভারসিটি ভিসার আবেদন নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হতে পারে। তবে এসব আবেদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না।

এদিকে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে নির্ধারিত ক্যাটাগরির আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে নতুন বিধিনিষেধের কারণে সাক্ষাৎকার শেষে ভিসা ইস্যুতে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে ট্যুরিস্ট (বি-১/বি-২) ও ব্যবসায়িক ভিসার আবেদন গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। তবে কিছু আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তার বিবেচনায় অতিরিক্ত আর্থিক নিশ্চয়তা বা ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার শর্ত আরোপ করা হতে পারে।

স্টুডেন্ট ভিসা এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাও চালু রয়েছে। তবে নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়ন এবং স্পন্সর-সংক্রান্ত তথ্য যাচাই আরও কঠোর হওয়ায় আবেদন নিষ্পত্তিতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে।

বর্তমানে সব ধরনের ভিসা আবেদন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। আবেদনপত্রে ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন নীতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ওপর। তবে ট্যুরিস্ট, শিক্ষার্থী ও কর্মসংস্থানভিত্তিক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা চালু থাকলেও আবেদনকারীদের জন্য যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় আরও কঠোর হওয়ায় আবেদন করার আগে সর্বশেষ নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।