ছবি: সংগৃহীত
ম্যাচ-পরবর্তী বিতর্কে ফুটবল বিশ্লেষক চ্যাডউইক পুরো ভিএআর প্রক্রিয়াকেই ‘অস্বাভাবিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার প্রশ্ন, মাঠের রেফারি যেখানে ঘটনাস্থলে কোনো ফাউল দেখেননি, সেখানে মিশর গোল করার পর কেন ভিএআর এত পেছনের একটি ঘটনা খুঁজে বের করে পুনঃপর্যালোচনা করল?
মিশরের বাতিল হওয়া গোল নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক লিভারপুল তারকা জেমি ক্যারাঘার। তার ভাষ্য, ‘আমি নিশ্চিত, এই গোলটি অন্য কোনো দলের বিপক্ষে হলে বাতিল করা হতো না। প্রিমিয়ার লিগ বা লা লিগায় এটি নিশ্চিতভাবেই গোল হিসেবে গণ্য হতো।’
এদিকে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক জোসে মরিনহো। রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হোসে মরিনিয়ো ম্যাচটিকে ‘দিনেদুপুরে ডাকাতি’ বলে অভিহিত করে বলেন, ‘গোল হওয়ার পর সেটি বাতিল করা লজ্জাজনক। যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে খেলা তখনই থামানো উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ফিরে গিয়ে সিদ্ধান্ত বদলানো গ্রহণযোগ্য নয়।’
তবে ফুটবল বিশ্লেষক আলী আল গার্নি তুলনামূলক সংযত অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, ‘ডাকাতি’ শব্দটি হয়তো অতিরঞ্জিত, কিন্তু ম্যাচের প্রায় সব ‘ফিফটি-ফিফটি’ বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তই আর্জেন্টিনার পক্ষেই গেছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আর্জেন্টিনা যদি ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকত, তাহলে কি ভিএআর একইভাবে অতীতের ঘটনা খুঁজে বের করে মিশরের গোল বাতিল করত? আমার মনে হয়, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।’