ছবি: সংগৃহীত
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া সুরমা ও কুশিয়ারার আরও কয়েকটি পয়েন্ট সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে সুরমা নদীর কানাইঘাট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ পয়েন্ট এবং কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফলে সিলেট বিভাগের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি এখনও পুরোপুরি কাটেনি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজানের এই বৃষ্টির প্রভাবেই সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানির প্রবাহ বেড়েছে।
দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি নদীর পানি পরিমাপক স্টেশনের মধ্যে ৭৯টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, ৪৩টিতে কমেছে এবং পাঁচটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।
এ অবস্থায় সিলেটের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।