সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সগুলোর টাকা দ্বিতীয়বারের মতো গণনা চলছে। শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়। মাজারের তিনটি বড় ঐতিহাসিক ডেগ এবং ছোট-বড় ৫টি দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়া গেছে। তবে এবার টাকার সাথে পাওয়া বেশ কিছু চিরকুট চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
মাজারের দানবাক্সে পাওয়া এসব চিরকুটে ভক্তদের নানা আর্তি ও অভিযোগের কথা উঠে এসেছে। কেউ লিখেছেন চাকরি পেলে মাজারে খাসি দান করবেন, আবার কোনো চিরকুটে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। কেউ মাজারের পশু কেনাবেচায় তছরুপ ও কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতির অভিযোগ এনেছেন। আবার কেউ লেখেছেন স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার চিরকুট।
মুন্নিকে উদ্দেশ্য করে আমিনুলের ওই চিরকুটে লেখা রয়েছে- হে আল্লাহ, আমাদের মিল মহব্বত বৃদ্ধি করে দাও। আমাদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির অবসান রে দাও। আমাদের আর্থিকভাবে সচ্ছল করে দাও। মুন্নি আমার বউ তাকে আমি অনেক ভালোবাসি। মুন্নি আমিরুল এর সম্পর্ক হাজার বছর টিকে রাখার তৌফিক দাও। আমাদের শত্রু থেকে বাঁচার তৌফিক দাও।
অপরদিকে, আবু জলিল হাবিব নােম একজনের নামে একজনের নামে পাওয়া একটি চিরকুটে সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলমকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। এই চিরকুটেই খোকন নামে একজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে।