প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৭ (শনিবার)
কবি ও সাহিত্যিক রাজীব কুমার দাশকে ঘিরে ‘এক রূপে বহুরূপী’ আয়োজন

ছবি: ইমজা নিউজ

সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর, কবি, গবেষক, প্রাবন্ধিক এবং পিবিআই-এর পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) রাজীব কুমার দাশকে কেন্দ্র করে আগামী ২৫ জুলাই, শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্যতিক্রমধর্মী সাহিত্য আয়োজন ‘এক রূপে বহুরূপী’।

ভাষানগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে সকাল ১০টায় শুরু হবে এই বিশেষ অনুষ্ঠান। রাজীব কুমার দাশের কবিতাভুবন, চর্চাগান, আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ এবং তাঁর বহুমাত্রিক সাহিত্যকর্ম নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা ও মুক্ত মতবিনিময়।

বর্তমানে হবিগঞ্জে পিবিআই-এর পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত রাজীব কুমার দাশ পেশাগত জীবনের পাশাপাশি সাহিত্যাঙ্গনেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন একজন সৃজনশীল ও মননশীল লেখক হিসেবে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরে জন্মগ্রহণকারী এই সাহিত্যকর্মী দীর্ঘদিন ধরে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ও গবেষণাধর্মী লেখালেখির মাধ্যমে পাঠকমহলে সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সুখাবতী’, ‘সততা জেনারেল স্টোর’, ‘নিরন্ন ললাট’ এবং ‘তুমি ছাড়া মৌনতা খাবো প্রতিদিন’।

অনুষ্ঠানে প্রধান পাঠক থাকবেন, দেশের বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক মুহম্মদ নূরুল হুদা।

এছাড়াও দেশের খ্যাতিমান সাহিত্যিক, গবেষক, আবৃত্তিশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা রাজীব কুমার দাশের সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীল দর্শন এবং সমকালীন বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করবেন।

সাহিত্যিক পরিচয়ের বাইরেও রাজীব কুমার দাশ একজন মানবিক ও সমাজসচেতন মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। অসহায়, হতদরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্তদের সহায়তা করা, বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা এবং গুণীজনদের যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি সবসময় আন্তরিক ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের মতে, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাই তাঁর ব্যক্তিত্বকে করেছে আরও উজ্জ্বল।

শুধু মানুষ নয়, প্রকৃতি ও প্রাণীকুলের প্রতিও তাঁর রয়েছে গভীর অনুরাগ। প্রকৃতিপ্রেমী এই সাহিত্যিকের লেখায় যেমন মানবজীবনের সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা ও সামাজিক বাস্তবতা উঠে আসে, তেমনি প্রতিফলিত হয় প্রকৃতি, মানবতা ও জীবনবোধের গভীর উপলব্ধি।

আয়োজকদের মতে, রাজীব কুমার দাশের বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীল কর্মযাত্রা, সাহিত্যভাবনা এবং মানবিক মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী এবং সৃজনশীল চিন্তার মানুষদের জন্য এটি হবে এক অনন্য মিলনমেলা।