প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪১ (মঙ্গলবার)
হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে ভারতের সহায়তা চাইলেন উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পলাতক আসামি শেখ হাসিনা যাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে পারেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনটি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। এ সময় উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির হাইকমিশনারকে স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনাসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তির যেকোনো ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে। তাই ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন এমন কোনো উসকানিমূলক তৎপরতা না চালানো হয়, সে বিষয়ে দিল্লির সচেষ্ট ভূমিকা প্রত্যাশা করে ঢাকা।

জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যালোচনার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হবে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারত সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

বৈঠকে শেখ হাসিনা ইস্যু ছাড়াও বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় এবং গতিশীল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অস্থিতিশীলতা রোধে বাংলাদেশের এই সরাসরি বার্তা ভবিষ্যতে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।