প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫২ (বুধবার)
সিসিক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রবাসীর

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) মো. রজি উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে নকশা বহির্ভূত ক্ষমতার অপব্যবহার ও নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ এবং অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ করেছে এক প্রবাসী। নগরীর জল্লারপাড়ে একটি ভবনকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ আনা হয়।  

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নগরীর জিন্দাবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কায়সার রহমান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জল্লারপাড়ের ১৭ নম্বর বাসার তিনি মালিক। ১৮ নম্বর বাসা সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রজি উদ্দিন খান অনুমোদিত নকশা ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ না করে ৫ তলা ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সেফটি গ্যাপ রাখা হয়নি, বরং ভবনটি তাঁর বাড়ির গা ঘেঁষে নির্মিত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আলো-বাতাস পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভবনে অগ্নিনিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেই।

এই প্রবাসীর অভিযোগ দায়িত্ব পালনকালে মো. রজি উদ্দিন খান ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারদের বিল আটকে কমিশন আদায় এবং নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য সম্পদ করেছেন। মাস্টাররোল শ্রমিকের সংখ্যা কাগজে-কলমে বাড়িয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, অবৈধ ভবন অপসারণ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর সিসিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে তিনি সিলেটের সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে স্বত্ব মামলা (নং-১৩/২০২৬) দায়ের করেন।

এছাড়া গত ৩০ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কায়সার রহমান জল্লারপাড়ের ১৮ নম্বর বাসার নকশাবহির্ভূত অংশ অপসারণ, নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুদকের মাধ্যমে তাঁর সম্পদের তদন্তের দাবি জানান।